Wednesday, December 17, 2014

যেন ভবিষ্যতে বেঁচে যায় মানুষ

দুষ্টের দমনের জন্য যুগে যুগে বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়।
বিদ্রোহ কখনো নাড়ি বা শিশুদের বিরুদ্ধে হয় না।
বিদ্রোহ হয় দ্রহ থেকে সেটা আত্মিক ও মানুষিক।
পাকিস্তান আমাদের এই দেশে যে জুলুম করেছে।
তার প্রতিদান তারা পেয়েছে।
আমাদের দ্রহ তে তারা জ্বলে পুড়ে ধ্বংস হয়েছে।
পৃথিবীর প্রতিটি দেশে- নরওয়ে থেকে সুদান,
এমন কোন দেশ বা অঞ্চল পাওয়া দুস্কর
যেখানে বনের প্রানির সাথে সাথে মানুষ ও বিপন্ন।
যখন ফিলিস্তেনি শিশুদের উপর নগ্ন বোমা হামলা
করা হয় তখন আমরা ভাবলেশ হয়ে পরি
কারন বৃহৎ শক্তি যা করে তাই সথিক এই ভেবে।
আবার পাকিস্তানী শিশুদের উপর যখন গুলী করে
হিংসাত্মক প্রতীবাদের জ্বালা মেটানো হয়
তখন বাঙ্কি মুনের সাথে মালালা ও প্রতিবাদ করে
এই প্রতিবাদ থেকে বাদ যায় না পাকিস্তানের
চির শত্রু ভারত প্রতিবেশীও।


অন্তরের দ্রহ থেকে যে প্রতীবাদের সৃষ্টি হয় তার
জ্বালা যদি নিরস্ত্র মানুষের এবং নিস্পাপ শিশুদের উপর
মিটাতে হয় তা হলে সেই দ্রহকে দ্রহ না বলে
পাগলামি বলাই স্রেও,এইসকল মস্তিস্ক বিকৃত
কোন দেশের সেনা বাহিনী,রাষ্ট্রপ্রধান অথবা কোন
জঙ্গি বাহিনীর প্রধান, মানুষ বা মানব জাতির জন্য
উপকারি নয়,এদের বিরুদ্ধে ধিক্কার না জানিয়ে
এদের সৃষ্টি টাকে রুখে দেই এবং সকল নির্যাতনের
বিরুদ্ধে সমান প্রতিবাদ জানাই। যেন ভবিষ্যতে বেঁচে
যায় মানুষ। নিরাপদ হয় প্রতিটি দেশ ও জাতির
শিশুর ভবিষ্যৎ.......................

Friday, September 19, 2014

আমি বৃষ্টি দেখেছি বৃষ্টির ছবি এঁকেছি ............




বৃষ্টিকে কার না ভালো লাগে,ছোটবেলা বৃষ্টি এলে ইশকুল ফাঁকি দেবার চেষ্টা করতাম,
আবার কখনো যদি ইশকুল ছুটির পরে বৃষ্টি নামত তখন আর আনন্দ হতো,
সব বন্ধুরা মিলে কাঁক ভেজা দিয়ে বাড়ি ফিরতাম,বাড়ি ফিরে কাঁধের ঝোলান ব্যাগ রেখেই রাস্তাতে দৌড়.........হয়তো ফুটবল নয়তো বৃষ্টির ভিতরে নতুন নতুন খেলা আবিষ্কার করে খেলতাম।
কলেজ জীবনে বৃষ্টি ছিল আশীর্বাদ,কলেজে আসার সময়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে!তাহলেই হোল,সবাই মিলে শিক্ষকের কাছে আবদার স্যার......একেবারেই ভিজে গেছি......আজকে ছুটি দিয়ে দেন স্যার......বিধিও পক্ষে ছুটি পেয়ে যেতাম,
তবে একটা জিনিশ খুব খারাপ লাগতো,কলেজে আমারা যারা নিয়মিত ছিলাম বৃষ্টির দিনে তাদের চেয়ে অনিয়মিত দের উপস্থিতি বেশি থাকতো এবং তারা ছুটির জন্য শিক্ষক দের কাছে যেতনা। ছুটির পরে বৃষ্টির ভিতরে পার্কে ঘুরতে যেতাম সেই আনন্দ কাঊকে বুঝানো যাবেনা,রমনার সবুজ ঘাস কিম্বা বলধা গার্ডেনের লেকের পারে বসেথাকা দুই তিনবার তো একেবারে বোটানিক্যাল গার্ডেনে চলেগিয়েছিলাম।
আমার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ছিল সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে চরিত্রের তেমন কোন পরিবর্তন হয় নাই .........কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে ছুটি চাওয়া যেতনা......ক্লাশ শেষে বৃষ্টিতে ভিজতাম.........তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ভেজার মধ্যে একদিনের সৃতি অমলিন,সেই দিন আমরা চাড় বন্ধু মিলে রমনাতে কদম ফুল ছেড়ার জন্য গেলাম কিন্তু যেয়ে দেখি ণিচের ডালের সব ফুল আগেই ছেড়া হয়ে গেছে,কি আর উপায়ে!!!একটার কাঁধে আরেকটা উঠে দুএকটার নাগাল পাওয়া গেল একটার পরে আরেকটা ছেড়া শুরু ওমনি ণিচেরটা একটু নড়ে ঊঠলো আর উপরেরটা সহ দুইটাই নিচে আমরা বাঁকি দুইজন ওদের ওঠাতে গেলাম কিন্তু আনন্দে আঘাতের কষ্ট ভুলে ওরা আবার দারিয়ে গেল।সেই দিনের যে আনন্দ তা কখনই ভুলবোনা।
আমি সবসময়ে বৃষ্টিকে অনেক ভালোবাসি,বৃষ্টি নিয়ে আমার অনেক সুখ সৃতি আছে,আমার এস,এস,সির রেজাল্ট এর দিন বৃষ্টি ছিল,এইচ,এস,সির রেজাল্ট এর দিন বন্ধুরা সবাই মিলে একযোগে বৃষ্টিতে ভিজেছি আমার বড় বোনের এস,এস,সির রেজাল্ট প্রকাশের পূর্ব রাতে বড়মামার সাথে বৃষ্টিতে ভিজেছি।
বাসাতে থাকলে এখনো বৃষ্টিতে ভিজি......ছাঁদে আমার লাগাণো গাছের সাথে ভিজি,যদি আম্মা রাগারাগি করে তাহলে বারান্দাতে গিয়ে অথবা জানলাতে দারিয়ে বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ উপভোগ করি।
বৃষ্টির অনেক ভালো লাগা ও বৃষ্টি থেকে অনেক কিছু উপভোগ করলেও জীবনে ভালবাসার মানুষ নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজার সুযোগ হয়নি ..................আর হবার সুযোগও নেই............